পুঁজিবাজারের আস্থা ফিরিয়ে আনতে ২১টি দাবি জানিয়েছেন ‘বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ’-এর নেতারা। মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবে পরিষদের সভাপতি মিজান-উর-রশীদ চৌধুরী দাবিগুলো তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সহসভাপতি সিদ্দিকুর রহমান ।
দাবিগুলো হলো:
- ১. বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান খায়রুল হোসেনসহ সব কমিশনারকে অপসারণ করে সৎ, মেধাবী ও যোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে কমিশন পুনর্গঠন।
- ২. পুঁজিবাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য ক্যাসিনো মার্কেটের মতো বিএসইসি, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ, আইসিবি ও বিভিন্ন ইস্যু ম্যানেজারদের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা।
- ৩. বাইব্যাক আইন পাশ করতে হবে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ইস্যু মূল্যের নিচে অবস্থান করা শেয়ারগুলো নিজ নিজ কোম্পানিকে ইস্যু মূল্যে শেয়ার বাইব্যাক করা।
- ৪. পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতার লক্ষ্যে আগামী তিন বছর সব ধরনের আইপিও, রাইট শেয়ার ইস্যু বন্ধ রাখতে হবে। প্লেসমেন্ট শেয়ারের অবৈধ বাণিজ্য বন্ধ করা।
- ৫. বুকবিল্ডিং পদ্ধতি, ডাইরেক্ট লিস্টিং পদ্ধতি বাতিল করা।
- ৬. ২ সিসি আইনের বাস্তবায়ন করতে যে সব কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ব্যক্তিগতভাবে ২ শতাংশ, সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার নেই, সেসব উদ্যোক্তা পরিচালক ও কোম্পানিকে শেয়ার ধারণ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
- ৭. কোম্পানি আইনে কোথাও জেড ক্যাটাগরি এবং ওটিসি মার্কেটের কথা উল্লেখ নেই। তাই শেয়ারের কোনও বিভাজন করা যাবে না। ওটিসি মার্কেটে যে সব কোম্পানি নিয়মিত এজিএম করে এবং ডিভিডেন্ট দেয় তাদের মূল মার্কেটে ফেরত আনতে হবে। যে সব কোম্পানি এজিএম করে না, বন্ধ আছে, সেই সব কোম্পানির সম্পদ বিক্রি করে বিনিয়োগকারীদের টাকা ফেরত দিতে হবে।
- ৮. কোম্পানির ব্যবসা ভালো থাকা সত্ত্বেও যেসব কোম্পানি নো ডিভিডেন্ট ঘোষণা করে বাজারকে অস্থিতিশীল করে, সে সব কোম্পানিকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
- ৯. কোনও কোম্পানিকে দি লিস্টিং করা যাবে না। সম্প্রতি দি লিস্টিং হওয়া মডার্ন ডাইং ও রহিমা ফুড কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
- ১০. কোনও কোম্পানির বোর্ড মিটিংয়ে ডিভিডেন্ট ঘোষণার সাতদিনের মধ্যেই এজিএম করতে হবে, দুই-আড়াই মাস পর নয়। পৃথিবীর কোনও দেশেই দুই-আড়াই মাস পর এজিএম করার নিয়ম নেই।
- ১১. পুঁজিবাজারের উন্নয়নের স্বার্থে বহুজাতিক লাভজনক কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করতে হবে। বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে ভারত এবং পাকিস্তানের মতো বাধ্যতামূলকভাবে তাদের বিনিয়োগের ৪৯ শতাংশ পুঁজিবাজারে নিতে হবে। কারণ বিদেশি কোম্পানিগুলো তাদের কোম্পানির কিছু সংখ্যক শেয়ার (২০ থেকে ২৫ শতাংশ) পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করে ৩০০ থেকে ৪০০ শতাংশ ডিভিডেন্ট দিয়ে এদেশের অর্থ লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। এই প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হবে।
- ১২. পুঁজিবাজারের প্রাণ মিউচুয়াল ফান্ডগুলোকে বাজারে সক্রিয় করে তাদের সঞ্চিত অর্থের ৮০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে হবে।
- ১৩. যে সব কোম্পানি তাদের মূলধন সংগ্রহের জন্য পুঁজিবাজারে আসবে, সেসব কোম্পানিকে পেইডআপ ক্যাপিট্যালের ৪০ শতাংশ পর্যন্ত আইপিও অনুমোদন দেওয়া যেতে পারে। তবে কোম্পানি প্লেসমেন্ট শেয়ারের টাকা কোনও প্রকারেই কোম্পানির পেইডআপ ক্যাপিটাল হিসেবে দেখাতে পারবে না এবং কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসার একমাস আগে কোম্পানির প্রসপেক্টস সব ব্রোকারেজ হাউজ, ডিএসই, সিএসই-তে পাঠাতে হবে। সাংবাদিক এবং বিনিয়োগকারীরা চাওয়ামাত্র কোম্পানি প্রসপেক্টস দিতে বাধ্য থাকবে।
- ১৪. পুঁজিবাজারে অর্থের জোগান বৃদ্ধির জন্য সহজশর্তে অর্থাৎ ৩ শতাংশ সুদে ১০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ দিতে হবে। যা আইসিবি, বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার হাউজের মাধ্যমে ৫ শতাংশ হারে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা লোন হিসেবে বিনিয়োগের সুযোগ পাবে।
- ১৫. খন্দকার ইব্রাহিম খালেদের তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী শেয়ারবাজার লুটকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
- ১৬. ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বিপরীতে বাংলাদেশ স্টক এক্সচেঞ্জ নামে বিকল্প স্টক এক্সচেঞ্জ করতে হবে।
- ১৭. বিনিয়োগকারীদের জন্য দ্রুত ‘বিনিয়োগ নিরাপত্তা আইন’ প্রণয়ন করতে হবে এবং তা বাস্তবায়ন করতে হবে।
- ১৮. বাজারের ভয়াবহ পতনে ২০১০-২০১৯ সাল পর্যন্ত যে সব বিনিয়োগকারী অসুস্থ হয়ে, হার্ট অ্যাটাক করে আত্মাহুতি দিয়েছেন, তাদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
- ১৯. পুঁজিবাজারের এই ক্রান্তিকালে মার্জিন ঋণে জর্জরিত বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এবং বাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য এই মুহূর্তে মার্জিন ঋণের আওতাভুক্তদের সুদ সম্পূর্ণ মওকুফ করতে হবে।
- ২০. ফোর্স সেল বন্ধ করতে হবে। ইতোপূর্বে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বিএসইসির নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আজ পর্যন্ত যে সব ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজ কর্তৃক ফোর্স সেল ও ট্রিগার সেলের শিকার হয়েছেন সেসব বিনিয়োগকারীর কোডে বিক্রয়মূল্যে শেয়ার ক্রয় করে দিতে হবে।
- ২১. পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারীর জীবন-মান রক্ষা ও পুঁজিবাজার রক্ষার যৌক্তিক আন্দোলন করতে গিয়ে ‘বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ’ এর নেতাকর্মী- বিনিয়োগকারীদের ওপর গ্রেফতার, হামলা, মামলা, গোয়েন্দা নজরদারি এবং মুচলেকা নেওয়াসহ সব রকমের হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
**back biome**
Backbiome is a naturally crafted, research-backed daily supplement formulated to gently relieve back tension and soothe sciatic discomfort.
**mounja boost official**
MounjaBoost is a next-generation, plant-based supplement created to support metabolic activity, encourage natural fat utilization, and elevate daily energywithout extreme dieting or exhausting workout routines.
**boostaro reviews**
Boostaro is a purpose-built wellness formula created for men who want to strengthen vitality, confidence, and everyday performance.
**mitolyn reviews**
Mitolyn is a carefully developed, plant-based formula created to help support metabolic efficiency and encourage healthy, lasting weight management.