চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে পুঁজিবাজারে বিদেশিরা ৩ হাজার ৩০৫ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছেন। অন্যদিকে ৩ হাজার ৫৮৪ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। অর্থাৎ এ কয়েক মাসে বিদেশিরা শেয়ার কেনার চেয়ে বেশি বিক্রি করেছেন ২৭৯ কোটি টাকা। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রাপ্ত তথ্য মতে, চলতি বছরের জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারি এই দুই মাসে পুঁজিবাজারের প্রতি বিদেশিদের বেশ আগ্রহ থাকলেও এরপরের মাস থেকেই বিপরীত চিত্র দেখা গেছে।
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বিদেশিরা ৪৯৫ কোটি টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে ৩২০ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। জানুয়ারি মাসে বিদেশিরা বিক্রির চেয়ে ক্রয় বেশি করেছিল ১৭৫ কোটি টাকা। ফেব্রুয়ারি মাসে ৫৮৭ কোটি টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে ২৬৪ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। এই মাসে বিদেশি বিনিয়োগ বিক্রির চেয়ে কেনার পরিমাণ বেড়েছিল ৩২৩ কোটি টাকা।
মার্চ মাসে ৩৭৫ কোটি টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে ৪৯৯ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। এই মাসে বিদেশি বিনিয়োগ কেনার চেয়ে বেশি বিক্রির পরিমাণ বেড়েছিল ১২৪ কোটি টাকা। এরপরের মাসে এপ্রিল মাসে ২৫৭ কোটি টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে ৪১১ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। এই মাসে বিদেশি বিনিয়োগ কেনার চেয়ে বেশি বিক্রির পরিমাণ বেড়েছিল ১৫৪ কোটি টাকা।
মে মাসে ৩২০ কোটি টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে ৩৮৫ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। এই মাসে বিদেশি বিনিয়োগ কেনার চেয়ে বেশি বিক্রির পরিমাণ বেড়েছিল ৬৫ কোটি ২০ লাখ টাকা। জুন মাসে ২৯৫ কোটি টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে ৩০৫ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। এই মাসে বিদেশি বিনিয়োগ কেনার চেয়ে বেশি বিক্রির পরিমাণ বেড়েছিল ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
জুলাই মাসে ৩০৯ কোটি টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে ৪৭৪ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। এই মাসে বিদেশি বিনিয়োগ কেনার চেয়ে বেশি বিক্রির পরিমাণ বেড়েছিল ১৬৫ কোটি টাকা। আগস্ট মাসে ১৭৭ কোটি টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে ২৭৯ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। এই মাসে বিদেশি বিনিয়োগ কেনার চেয়ে বেশি বিক্রির পরিমাণ বেড়েছিল ১০২ কোটি টাকা।
সেপ্টেম্বর মাসে ২৫৮ কোটি টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে ৩১৮ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। এই মাসে বিদেশি বিনিয়োগ কেনার চেয়ে বেশি বিক্রির পরিমাণ বেড়েছিল ৬০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এছাড়া গত মাসে অর্থাৎ অক্টোবর মাসে ২৩২ কোটি টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে ৩২৯ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। এই মাসে বিদেশি বিনিয়োগ কেনার চেয়ে বেশি বিক্রির পরিমাণ বেড়েছিল ৯৭ কোটি টাকা।
চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে পুঁজিবাজারে বিদেশিরা ৩ হাজার ৩০৫ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছেন। অন্যদিকে ৩ হাজার ৫৮৪ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। অর্থাৎ এ কয়েক মাসে বিদেশিরা শেয়ার কেনার চেয়ে বেশি বিক্রি করেছেন ২৭৯ কোটি টাকা। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রাপ্ত তথ্য মতে, চলতি বছরের জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারি এই দুই মাসে পুঁজিবাজারের প্রতি বিদেশিদের বেশ আগ্রহ থাকলেও এরপরের মাস থেকেই বিপরীত চিত্র দেখা গেছে।
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বিদেশিরা ৪৯৫ কোটি টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে ৩২০ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। জানুয়ারি মাসে বিদেশিরা বিক্রির চেয়ে ক্রয় বেশি করেছিল ১৭৫ কোটি টাকা। ফেব্রুয়ারি মাসে ৫৮৭ কোটি টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে ২৬৪ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। এই মাসে বিদেশি বিনিয়োগ বিক্রির চেয়ে কেনার পরিমাণ বেড়েছিল ৩২৩ কোটি টাকা।
মার্চ মাসে ৩৭৫ কোটি টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে ৪৯৯ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। এই মাসে বিদেশি বিনিয়োগ কেনার চেয়ে বেশি বিক্রির পরিমাণ বেড়েছিল ১২৪ কোটি টাকা। এরপরের মাসে এপ্রিল মাসে ২৫৭ কোটি টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে ৪১১ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। এই মাসে বিদেশি বিনিয়োগ কেনার চেয়ে বেশি বিক্রির পরিমাণ বেড়েছিল ১৫৪ কোটি টাকা।
মে মাসে ৩২০ কোটি টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে ৩৮৫ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। এই মাসে বিদেশি বিনিয়োগ কেনার চেয়ে বেশি বিক্রির পরিমাণ বেড়েছিল ৬৫ কোটি ২০ লাখ টাকা। জুন মাসে ২৯৫ কোটি টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে ৩০৫ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। এই মাসে বিদেশি বিনিয়োগ কেনার চেয়ে বেশি বিক্রির পরিমাণ বেড়েছিল ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
জুলাই মাসে ৩০৯ কোটি টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে ৪৭৪ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। এই মাসে বিদেশি বিনিয়োগ কেনার চেয়ে বেশি বিক্রির পরিমাণ বেড়েছিল ১৬৫ কোটি টাকা। আগস্ট মাসে ১৭৭ কোটি টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে ২৭৯ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। এই মাসে বিদেশি বিনিয়োগ কেনার চেয়ে বেশি বিক্রির পরিমাণ বেড়েছিল ১০২ কোটি টাকা।
সেপ্টেম্বর মাসে ২৫৮ কোটি টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে ৩১৮ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। এই মাসে বিদেশি বিনিয়োগ কেনার চেয়ে বেশি বিক্রির পরিমাণ বেড়েছিল ৬০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এছাড়া গত মাসে অর্থাৎ অক্টোবর মাসে ২৩২ কোটি টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে ৩২৯ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। এই মাসে বিদেশি বিনিয়োগ কেনার চেয়ে বেশি বিক্রির পরিমাণ বেড়েছিল ৯৭ কোটি টাকা।
**back biome**
Backbiome is a naturally crafted, research-backed daily supplement formulated to gently relieve back tension and soothe sciatic discomfort.
**neurosharp**
Neuro Sharp is a modern brain-support supplement created to help you think clearly, stay focused, and feel mentally confident throughout the day.
**neurosharp official**
Neuro Sharp is an advanced cognitive support formula designed to help you stay mentally sharp, focused, and confident throughout your day.
**aqua sculpt**
aquasculpt is a premium metabolism-support supplement thoughtfully developed to help promote efficient fat utilization and steadier daily energy.
**mitolyn**
Mitolyn is a carefully developed, plant-based formula created to help support metabolic efficiency and encourage healthy, lasting weight management.